1. admin@khulnarkantho.com : admin :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে হতদরিদ্র, দুস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাদ্য বিতরণ সাংবাদিক রাজুকে হেনস্তার অভিযোগ, পরীমণির আচরণের তীব্র নিন্দা ও বিচারের দাবি খুলনার শিল্পাঞ্চলের হারানো গৌরব ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর” বন্ধ মিল-কারখানা চালুর প্রতিশ্রুতি খুলনা থেকে নতুন কুঁড়ি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট আসছেন খুলনায় ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধনী প্রেস ব্রিফিংয়ে হুইপ রকিবুল ইসলাম খুলনার আদালত পাড়ায় আলোচিত দুই হত্যাকান্ডে চার্জশিট দাখিল এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ মানিকতলা খাদ্য গুদাম শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতিসহ তিনজন গ্রেপ্তার, প্রতিবাদে খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ মহানগর তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ূন কবিরের জানাজা শেষে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন নেতৃবৃন্দ

প্রশ্নের সুযোগ না পেয়ে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির সভা বর্জন সাংবাদিকদের

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

 

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা। কিন্তু সেখানে প্রশ্ন করার সুযোগ নেই, ছবি তোলা ও ভিডিও ধারণেও নিষেধাজ্ঞা।বক্তব্য দিতে গেলেও বাধা দেওয়ার অভিযোগ। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে নবনিযুক্ত খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভা বর্জন করেছেন খুলনার সাংবাদিকরা।রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে ডিআইজি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। সাংবাদিকদের অভিযোগ, পুলিশের অপরাধ পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা ও সদস্যদের অনিয়ম নিয়ে প্রশ্নের উত্তর জানতে গিয়ে তারা উল্টো উপদেশ শুনেছেন।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. রেজাউল করিম। দায়িত্ব নেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময়ের অংশ হিসেবে এ সভার আয়োজন করা হয়। তবে সভায় অংশ নেওয়া সাংবাদিকদের অভিযোগ, মতবিনিময়ের কথা বলা হলেও তাদের পরিচয়পর্বের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে বলা হয়। ছবি তোলা ও ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করতে কিংবা বক্তব্য তুলে ধরতে চাইলে তাদের থামিয়ে দেওয়া হয়। সাংবাদিকদের কথা শোনার পরিবর্তে ডিআইজি উপদেশ দিতে থাকেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্ন, যে সভার উদ্দেশ্য পারস্পরিক মতবিনিময়, সেখানে তাদের কথা বলার সুযোগ না থাকলে এমন আয়োজনের প্রয়োজন কী? পুলিশের কার্যক্রম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব। সেই সুযোগ সীমিত করে প্রকৃত অর্থে মতবিনিময় সম্ভব নয় বলে মনে করেন তারা।

সভা বর্জনের সময় এক সাংবাদিক বলেন, খুলনায় পুলিশের কার্যক্রম, অপরাধ পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানার প্রত্যাশা নিয়ে তারা সভায় গিয়েছিলেন।

পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বক্তব্য জানার পাশাপাশি জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিজেদের প্রশ্ন ও অনুসন্ধানের বিষয়গুলো তুলে ধরাও ছিল তাদের উদ্দেশ্য। কিন্তু সেই সুযোগ না পাওয়ায় তারা হতাশ হয়েছেন।
একুশে টেলিভিশনের খুলনা ব্যুরোপ্রধান আশরাফুল ইসলাম নুর বলেন, তারা ব্যক্তিগত কোনো বিষয়ে কথা বলতে যাননি। খুলনার মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পৌঁছে দেওয়া এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বক্তব্য জানাই ছিল তাদের লক্ষ্য। প্রশ্ন করার সুযোগ না থাকলে সেটিকে প্রকৃত অর্থে মতবিনিময় বলা যায় না।

খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সারোয়ার বলেন, ‘সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় হবে, অথচ প্রশ্ন করা যাবে না—এটি কোনো যৌক্তিক কথা হতে পারে না। সাংবাদিকরা কোন সভায় যোগ দেবেন, কী প্রশ্ন করবেন বা কী কথা বলবেন, তা নির্ধারণ করে দেওয়া কিংবা ক্যামেরার সামনে একজন সরকারি কর্মকর্তার কথা বলতে না পারার মতো পরিস্থিতি নতুন সৃষ্টি হলো। এ কারণে আমিসহ সাংবাদিকরা সভা বর্জন করে ফিরে গেছি।’

এ বিষয়ে জানতে ডিআইজি মো. রেজাউল করিমের সরকারি নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ খুলনার কন্ঠ, কেএন-৩৫৬
Theme Customized By Buzz it ltd.