1. admin@khulnarkantho.com : admin :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে হতদরিদ্র, দুস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাদ্য বিতরণ সাংবাদিক রাজুকে হেনস্তার অভিযোগ, পরীমণির আচরণের তীব্র নিন্দা ও বিচারের দাবি খুলনার শিল্পাঞ্চলের হারানো গৌরব ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর” বন্ধ মিল-কারখানা চালুর প্রতিশ্রুতি খুলনা থেকে নতুন কুঁড়ি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট আসছেন খুলনায় ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধনী প্রেস ব্রিফিংয়ে হুইপ রকিবুল ইসলাম খুলনার আদালত পাড়ায় আলোচিত দুই হত্যাকান্ডে চার্জশিট দাখিল এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ মানিকতলা খাদ্য গুদাম শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতিসহ তিনজন গ্রেপ্তার, প্রতিবাদে খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ মহানগর তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ূন কবিরের জানাজা শেষে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন নেতৃবৃন্দ

খুলনার রায়েরমহল হামিদনগরে ৩ শতক জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ: আদালতে মামলা, হত্যার হুমকিতে জিডি

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।।খুলনার হরিণটানা থানাধীন রায়েরমহল হামিদনগর এলাকায় তিন শতক জমি দখলচেষ্টা, আদালতের নিষেধাজ্ঞা এবং জমির মালিককে হত্যার হুমকির অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জমির মালিক দাবি করা ফয়জুল আমিন খান তার আপন চাচাতো ভাই শাহিন খানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়েরের পাশাপাশি হরিণটানা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফয়জুল আমিন খানের পিতা মরহুম রুহুল আমিন খান ২০০৪ সালে (রেজিস্ট্রি নং–৫৫১৫) উজান সমিতির কাছ থেকে শাহিন খানকে সঙ্গে নিয়ে মোট ১০ শতক জমি কবলা দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করেন। ক্রয়ের সময় উভয়েই ৫ শতক করে জমির মালিকানা লাভ করেন।

পরবর্তীতে জমিটি তিনটি প্লটে ভাগ করা হয়। প্রথম প্লটে দুই শতক জমি উভয় পক্ষ দোকান নির্মাণের জন্য সংরক্ষণ করেন। দ্বিতীয় অংশে চার শতক করে নিজ নিজ জমি দীর্ঘদিন ভোগদখল করে আসছিলেন। পরে ওই জমির মধ্যে দুই শতক খাস জমি হিসেবে চলে যায়। এছাড়া সরকারি রাস্তা নির্মাণের সময় রুহুল আমিনের অংশ থেকে এক শতক জমি অধিগ্রহণ করা হয় এবং অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের অর্থ উভয় পক্ষ গ্রহণ করেন।

ফয়জুল আমিন খানের দাবি, এসব পরিবর্তনের পর তার নামে অবশিষ্ট তিন শতক জমি ফাঁকা অবস্থায় ছিল।

দখলচেষ্টার অভিযোগ : অভিযোগে বলা হয়েছে, চাকরির সুবাদে ফয়জুল আমিন দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান করায় তার ফাঁকা তিন শতক জমিতে শাহিন খান পাকা দোকান নির্মাণের কাজ শুরু করেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি স্থানীয়ভাবে সালিশের উদ্যোগ নিলেও কোনো সমাধান হয়নি।

ফয়জুল আমিন জানান, তার জমির ২০২৬ সালের হালনাগাদ খাজনা পরিশোধ করা রয়েছে এবং জমিটি চার ওয়ারিশের নামে মিউটেশনভুক্ত।

আদালতের শরণাপন্ন : স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য দুইূদফা শালিশ বৈঠক হলেও উক্ত শালিশ গনের রায় না মানায় ফয়জুল আমিন খান এক প্রকার বাধ্য হয়ে গত ২৬ জুন ২০২৬ ইং তারিখে আদালতে একটি এমপি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে হরিণটানা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মামুন হোসেন অধিকতর তদন্ত শেষে ৩০ জুন ২০২৬ আদালতে ফয়জুল আমিনের পক্ষে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন।

ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালত শাহিন খানকে অন্যের জমিতে অবৈধভাবে কোনো স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ দেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

হত্যার হুমকির অভিযোগে জিডি : মামলা দায়েরের পর থেকেই বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ফয়জুল আমিন। তিনি বলেন“জমি নিয়ে উচ্চবাচ্য বা বাড়াবাড়ি করলে তাকে মেরে ফেলা হবে”— এমন হুমকির প্রেক্ষিতে তিনি গত ১৮ আগস্ট ২০২৬ হরিণটানা থানায় জীবনে নিরাপত্তা চেয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। সামাজিক ও আইনগতভাবে তার তিন শতক জমি উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

অপরদিকে অভিযুক্ত শাহিন খানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার চাচাতো ভাই ফয়জুল আমিন খানের কোনো জমি আমি আত্মসাৎ করিনি।”

তবে আদালতের নির্দেশের পর স্থাপনার কাজ কেন বন্ধ করেছেন— এ প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। এরপর একাধিক বার তাকে ফোন দিলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ খুলনার কন্ঠ, কেএন-৩৫৬
Theme Customized By Buzz it ltd.