1. admin@khulnarkantho.com : admin :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে হতদরিদ্র, দুস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাদ্য বিতরণ সাংবাদিক রাজুকে হেনস্তার অভিযোগ, পরীমণির আচরণের তীব্র নিন্দা ও বিচারের দাবি খুলনার শিল্পাঞ্চলের হারানো গৌরব ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর” বন্ধ মিল-কারখানা চালুর প্রতিশ্রুতি খুলনা থেকে নতুন কুঁড়ি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট আসছেন খুলনায় ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধনী প্রেস ব্রিফিংয়ে হুইপ রকিবুল ইসলাম খুলনার আদালত পাড়ায় আলোচিত দুই হত্যাকান্ডে চার্জশিট দাখিল এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ মানিকতলা খাদ্য গুদাম শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতিসহ তিনজন গ্রেপ্তার, প্রতিবাদে খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ মহানগর তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ূন কবিরের জানাজা শেষে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন নেতৃবৃন্দ

শতাধিক মেগাওয়াট ঘাটতি লোড শেডিংয়ে বিপর্যস্ত খুলনা

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬

 

কন্ঠ প্রতিবেদন।।ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও লোড শেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ২১ জেলার জনজীবন। চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় দিন-রাতজুড়ে বিদ্যুতের আসা-যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্কুল-কলেজ ও ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। লেখাপড়ায় ব্যাঘাতের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য, স্বাভাবিক জীবনযাত্রা এবং জননিরাপত্তাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খুলনা অঞ্চলের ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে জ্বালানি সংকটের কারণে বর্তমানে ছয়টি কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। গ্যাস, ফার্নেস অয়েল ও কয়লার সরবরাহ সংকট এবং এলএনজি টার্মিনাল-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবেকমে গেছে। ফলে চাহিদা মেটাতে না পেরে বিতরণ সংস্থাকে ফিডারভিত্তিক লোড শেডিং করতে হচ্ছে।ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রবিউশন কম্পানি (ওজোপাডিকো) সূত্রে জানা গেছে, দুই আগস্ট বিকাল পর্যন্ত খুলনা জোনে (খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া ও ফরিদপুর) বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৫৭৫ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হয়েছে ৫১৫ মেগাওয়াট। ফলে প্রায় ৬০ মেগাওয়াট ঘাটতি ছিল। উৎপাদন কমে যাওয়ায় নিয়মিত লোড শেডিং করা হচ্ছে।খুলনা নগরীর নগরীর নিরালা এলাকার এক শিক্ষার্থী জানান, ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় রাতে পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। প্রচণ্ড গরমের কারণে স্বাভাবিকভাবে পড়াশোনা করাও সম্ভব হচ্ছে না।ওজোপাডিকো সূত্রে আরো জানা যায়, শুধুমাত্র খুলনা মহানগরীতে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬৬ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হয়েছে ১৪৬ মেগাওয়াট। ফলে প্রায় ২০ মেগাওয়াট লোড শেডিং করতে হয়েছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওজোপাডিকোর এক কর্মকর্তা বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে এলাকা-ভিত্তিক লোডশেডিং করা হচ্ছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এবং চাহিদা আরো বাড়লে সংকট আরো তীব্র হতে পারে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ খুলনার কন্ঠ, কেএন-৩৫৬
Theme Customized By Buzz it ltd.