1. admin@khulnarkantho.com : admin :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে হতদরিদ্র, দুস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাদ্য বিতরণ সাংবাদিক রাজুকে হেনস্তার অভিযোগ, পরীমণির আচরণের তীব্র নিন্দা ও বিচারের দাবি খুলনার শিল্পাঞ্চলের হারানো গৌরব ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর” বন্ধ মিল-কারখানা চালুর প্রতিশ্রুতি খুলনা থেকে নতুন কুঁড়ি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট আসছেন খুলনায় ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধনী প্রেস ব্রিফিংয়ে হুইপ রকিবুল ইসলাম খুলনার আদালত পাড়ায় আলোচিত দুই হত্যাকান্ডে চার্জশিট দাখিল এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ মানিকতলা খাদ্য গুদাম শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতিসহ তিনজন গ্রেপ্তার, প্রতিবাদে খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ মহানগর তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ূন কবিরের জানাজা শেষে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন নেতৃবৃন্দ

খুলনায় ৪ কোম্পানির সিন্ডিকেটে ভোজ্য তেলের বাজার অস্থির

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

 

কন্ঠ প্রতিবেদন।। ঈদুল ফিতরের পর থেকে ৪টি কোম্পানির সিন্ডিকেটের কারণে অস্থির হয়ে উঠেছে খুলনায় ভোজ্য তেলের বাজার। পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও সরবরাহ কমিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে ওই কোম্পানিগুলো। ফলে বাজার থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে সয়াবিনের বোতল। ইরান ও আমেরিকার যুদ্ধের অজুহাত দেখিয়ে বাড়ানো হয় খোলা সয়াবিনের দাম। সিন্ডিকেট করা তেল কোম্পানিগুলো হলো- রূপচাঁদা, ফ্রেস, বসুন্ধরা ও তীর। বর্তমানে খুলনার বড় বাজারের ব্যবসায়ীরা খোলা সয়াবিন কেজি প্রতি বিক্রি করছেন ২০৩ টাকায়।

বড় বাজারের কয়েকটি দোকান ঘুরে দেখা গেছে, ১ লিটারের সয়াবিন তেল ২০৫ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। একইভাবে ২ লিটারের বোতল ৪০৫ টাকা, ৩ লিটারের ৬১০ টাকা এবং ৫ লিটারের বোতল ৯৫৫-৯৮০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। অথচ ঈদের আগে ১ লিটার ২০০ টাকা, ২ লিটার ৪০০ টাকা, ৩ লিটার ৫৯৫ টকা এবং ৫ লিটারের বোতল ৯৫০ টাকায় বিক্রি করে ব্যবসায়ীরা। তবে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ নামিদামি কোম্পানির তেল বাজারে না থাকলেও বর্তমানে তারা লোকাল আইটেম বা ননব্রান্ডের কিছু বোতলজাত ভোজ্য তেল বিক্রি করছেন।

খুলনার বড় বাজারের মা মনষা ভান্ডারের ব্যবসায়ী মৃন্ময় বণিক বলেন, ‘আমি তীর কোম্পানির একমাত্র বিক্রয় প্রতিনিধি। গেল রোজার ঈদের পর থেকে কোম্পানি কোনো তেল দিচ্ছেনা। অগ্রিম টাকা নিয়েও তারা আটকে রেখেছে। প্রতিদিন চাহিদার ২০০ কার্টুনের অনুকূলে তারা ঈদের পর থেকে আমাকে ১০০ কার্টুন সয়াবিন তেল দিয়েছে। সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে তারা। কারণ জানতে চাইলে কোম্পানির প্রতিনিধিরা কাঁচামালের সংকটের কথা জানিয়েছে। ব্যবসার জন্য তিনি কিছু ননব্রান্ডের তেল বিক্রি করছি।’

একই বাজারের ব্যবসায়ী বসুন্ধরা কোম্পানির পরিবেশক ইলিয়াস ব্রাদার্সের কর্মকর্তা বলেন, ‘ঈদের আগে থেকে কোনো তেল পাওয়া যাচ্ছেনা। ঈদের পর প্রথম ৩০০ কার্টুন মাল দিয়েছে। বোতলজাত তেল বাজারে না থাকলে দাম বেড়ে যাবে।’

ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজের মালিক শাহ আলম মৃধা বলেন, ‘ইরান-আমেরিকার যুদ্ধে প্রভাব তেলের বাজারে পড়েছে। যার যা আছে তা আটক রেখে দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে। তাছাড়া জ্বালানি তেলের সংকট থাকায় পরিবহন খরচ বেড়েছে। এ সেক্টরে দাম বৃদ্ধি হলেই বেড়ে যায় তেলের দাম।’ বর্তমানে লুস তেল প্রতিকেজি ২০৩ টাকায় বিক্রি করছেন তিনি।

এদিকে বড় বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী সিদ্দিক স্টোরের এক কর্মকর্তা জানান, ঈদের আগে একদফা বেড়েছে তেলের দাম। মূল্য আরও তিন টাকা বাড়ানোর জন্য বাজার থেকে তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে কোম্পানিগুলো। তাছাড়া তেল নিতে গেলে এখন তারা নতুন ফর্দ ধরিয়ে দিচ্ছে। ৫০ হাজার টাকার তেল নিতে চাইলে ময়দা, সুজি, সরিষার তেল নিতে হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য বাড়তি।

খুলনায় তীর কোম্পানির নির্বাহী সেলস অফিসার তপন কুমার বিশ^াস বলেন, ‘দেশের বাজারে সব কোম্পানির বোতলজাত ভোজ্য তেলের সংকট আছে। সংকটের কারণ জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, আমি ফিল্ডের অফিসার ফিল্ডের খবর জানি।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৩ টাকা বাড়তে পারে বলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান।

কথা হয় খুলনার বেসরকারি একটি কলেজের শিক্ষক সজীব ভুইয়ার সাথে। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, ব্যয় বেড়েছে। কিন্তু আয় বাড়েনি। এভাবে নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকলে হয়তো এক সময় না খেয়ে মরে যেতে হবে।

নিত্য পণ্যের দাম বৃদ্ধির ক্ষোভ ঝড়লেন হেয়া আক্তার। তিনি বলেন, ‘ভোক্তা অধিকার নামে সরকারের একটি প্রতিষ্ঠান আছে। তাদের কাজ কি ঘুমিয়ে থাকা, না তদারকি করা?’

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ খুলনার কন্ঠ, কেএন-৩৫৬
Theme Customized By Buzz it ltd.