1. admin@khulnarkantho.com : admin :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে হতদরিদ্র, দুস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাদ্য বিতরণ সাংবাদিক রাজুকে হেনস্তার অভিযোগ, পরীমণির আচরণের তীব্র নিন্দা ও বিচারের দাবি খুলনার শিল্পাঞ্চলের হারানো গৌরব ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর” বন্ধ মিল-কারখানা চালুর প্রতিশ্রুতি খুলনা থেকে নতুন কুঁড়ি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট আসছেন খুলনায় ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধনী প্রেস ব্রিফিংয়ে হুইপ রকিবুল ইসলাম খুলনার আদালত পাড়ায় আলোচিত দুই হত্যাকান্ডে চার্জশিট দাখিল এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ মানিকতলা খাদ্য গুদাম শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতিসহ তিনজন গ্রেপ্তার, প্রতিবাদে খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ মহানগর তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ূন কবিরের জানাজা শেষে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন নেতৃবৃন্দ

খুলনায় উচ্ছেদ অভিযান: স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

কন্ঠ প্রতিবেদন।।খুলনার মুজগুন্নির বাস্তুহারা কলোনিতে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।এতে পুলিশ সদস্য ও বাসিন্দাসহ অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।রবিবার (২১ আগস্ট) সকালে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের প্লট মালিকদের জায়গা বুঝিয়ে দিতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। শুরু থেকেই বাসিন্দারা টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করে রাখেন। সকাল ১০টার দিকে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে সংঘর্ষ শুরু হয়।এসময় স্থানীয়রা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ পিছু হটে যায়।পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে।সংঘর্ষ চলাকালে উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবহৃত একটি বুলডোজার সহ গৃহায়ণ ও গণপূর্তের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।স্থানীয়দের অভিযোগ, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না। অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে আপাতত অভিযান স্থগিত করা হয়েছে।জানা গেছে, মুজগুন্নির প্রায় দুই একর জায়গায় বর্তমানে প্রায় ২০০ পরিবার বসবাস করছে।তবে ১৯৮৭ সালে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ ওই জমি লটারির মাধ্যমে ৪২ জন প্লট মালিকের কাছে বরাদ্দ দেয়।দীর্ঘ ৩৫ বছর পেরিয়ে গেলেও মালিকরা এখনও তাদের জমি বুঝে পাননি।খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর আতাহার আলী জানান, “জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আমরা উচ্ছেদ অভিযানে সহযোগিতা করতে যাই।সরাতে গেলে বাসিন্দারা আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে আমাদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছে।এতে আমিসহ ১৪ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছি।এ বিষয়ে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তপক্ষ খুলনা ডিভিশনের খালিশপুর ০৬৯৯-ক এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো: জিয়াউর রহমান বলেন যারা পাবলিকের বরাদ্দকৃত জমি দখল করে আছেন তারা কেউ দরিদ্র নয়।প্রত্যেকেরই সামাজিক অবস্থান অনেকের চেয়ে ভালো।এরা এই দখল কৃত জমির উপর একতলা,দোতলা এমনকি তিনতলা পর্যন্ত বাড়ি করে মাসে মাসে মোটা অংকের ভাড়া নিচ্ছে।আমরা তাদেরকে এর আগেও বেশ কয়েকবার নোটিশ করেছি, রাজনৈতিক সরকার থাকা অবস্থায় আমরা উচ্ছেদ অভিযান করলেও তা সফল হয়নি, পরবর্তীতে ৫ আগস্ট এর পর স্বৈরাচারী ফ্যাসিষ্ট সরকারের পতন হলে আমরা দখলকারীদেরকে ফের সরে যেতে নোটিশ করি, ঐ সময় তারা এক মাসের সময় নেন,কিন্তু তারপরেও তারা দখল ছাড়েনি,এরই মধ্যে বরাদ্দকৃত জমির একজন মালিক মারা গেলে মানবিক দিক বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমরা রোববার উচ্ছেদ অভিযান চালাই কিন্তু স্থানীয় বখাটে এবং বহিরাগতদের স্বার্থের কারনে বারংবার উচ্ছেদ অভিযান ব্যর্থ হচ্ছে।অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তারা বারবার ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছেন বলেও জানান। অভিযানে তাদের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে তারা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে জানাগেছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ খুলনার কন্ঠ, কেএন-৩৫৬
Theme Customized By Buzz it ltd.