
জাকারিয়া মোড়ল বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি।। খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার ৩ নম্বর গঙ্গারামপুর ইউনিয়নে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষার ভূমিকা নিয়ে আলোচনায় রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর বর্ষীয়ান নেতা ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আসলাম হালদার। স্থানীয়দের একাংশের মতে, সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং সব ধর্মের মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার কারণে ইউনিয়নজুড়ে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক স্থানীয়ভাবে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় থেকে আসলাম হালদার ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন বলে তাঁর সমর্থকেরা মনে করেন। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টা তাঁকে স্থানীয় পর্যায়ে পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা এনে দিয়েছে বলে তাঁদের অভিমত।সনাতন সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্প্রীতির সম্পর্ক গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব, সার্বজনীন পূজা-পার্বণ ও সামাজিক আয়োজনে চেয়ারম্যান আসলাম হালদারের উপস্থিতি এবং সহযোগিতার বিষয়টি স্থানীয়দের আলোচনায় উঠে এসেছে। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা।সনাতন সম্প্রদায়ের স্থানীয় কয়েকজন প্রতিনিধির ভাষ্য, তাঁদের বিভিন্ন প্রয়োজনে চেয়ারম্যানের সহযোগিতা ও যোগাযোগ তাঁদের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরি করেছে। তাঁদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব কেবল প্রশাসনিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সব সম্প্রদায়ের মানুষের কথা শোনা, তাঁদের সমস্যা বোঝা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে আসলাম হালদারের সঙ্গে তাঁদের সুসম্পর্ক ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে তাঁরা মনে করেন।উন্নয়ন ও সামাজিক সম্প্রীতিতে গুরুত্ব স্থানীয় পর্যায়ে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজভাবে মেলামেশার কারণে আসলাম হালদারের রাজনৈতিক ও সামাজিক যোগাযোগ সুদৃঢ় হয়েছে বলে তাঁর সমর্থকেরা মনে করেন। তাঁদের প্রত্যাশা, ইউনিয়নের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, যোগাযোগব্যবস্থা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং জনসেবামূলক উদ্যোগেও আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। স্থানীয়দের মতে, একটি ইউনিয়নের টেকসই উন্নয়নের জন্য অবকাঠামোগত অগ্রগতির পাশাপাশি সামাজিক শান্তি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা জরুরি। বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা এ ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রত্যাশা : গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের মানুষের প্রত্যাশা, চেয়ারম্যান আসলাম হালদার সব শ্রেণি-পেশা ও ধর্মের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখে জনসেবামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করবেন। একই সঙ্গে ইউনিয়নের উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় তাঁর ভূমিকা আরও কার্যকর হবে—এমন প্রত্যাশাও জানিয়েছেন স্থানীয়দের অনেকে।