1. admin@khulnarkantho.com : admin :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে হতদরিদ্র, দুস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাদ্য বিতরণ সাংবাদিক রাজুকে হেনস্তার অভিযোগ, পরীমণির আচরণের তীব্র নিন্দা ও বিচারের দাবি খুলনার শিল্পাঞ্চলের হারানো গৌরব ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর” বন্ধ মিল-কারখানা চালুর প্রতিশ্রুতি খুলনা থেকে নতুন কুঁড়ি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট আসছেন খুলনায় ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধনী প্রেস ব্রিফিংয়ে হুইপ রকিবুল ইসলাম খুলনার আদালত পাড়ায় আলোচিত দুই হত্যাকান্ডে চার্জশিট দাখিল এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ মানিকতলা খাদ্য গুদাম শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতিসহ তিনজন গ্রেপ্তার, প্রতিবাদে খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ মহানগর তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ূন কবিরের জানাজা শেষে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন নেতৃবৃন্দ

ভোক্তা অধিকার আইন বাস্তবায়নে সেমিনার

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫

 

কন্ঠ প্রতিবেদন।। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯–এর কার্যকর বাস্তবায়ন, পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন ও বাজার ব্যবস্থায় সুশাসন নিশ্চিত করতে খুলনায় এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (৬ অক্টোবর ২০২৫) বেলা ১২টা ৩০ মিনিটে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ আয়োজন করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়।এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. ফারুক আহমেদ বলেন, “ভোক্তার অধিকার সুরক্ষা শুধু আইনি প্রয়োগ নয়, এটি নাগরিক ন্যায্যতার অংশ। বাজারে নকল, ভেজাল ও অতিমূল্য যেন কেউ চাপিয়ে দিতে না পারে, সে জন্য ব্যবসায়ী, প্রশাসন ও ক্রেতা—তিন পক্ষকেই একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণ সচেতন হলে বাজারেও ভারসাম্য আসবে। সরকারের উদ্দেশ্য কারও ক্ষতি নয়, বরং নিরাপদ খাদ্য, ন্যায্য মূল্য ও সঠিক সেবা নিশ্চিত করা।”তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই জনগণ জানুক—তাদের অধিকার কী, কোথায় অভিযোগ করতে হবে, আর প্রশাসন কীভাবে তাদের পাশে আছে। দেশের প্রতিটি বিভাগ ও জেলায় এখন নিয়মিত বাজার অভিযান, পণ্যের মান যাচাই এবং আইন সচেতনতা কার্যক্রম চলছে।”খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সচিব) মো. হুসাইন শওকাত বলেন, “ভোক্তা অধিকার আইন বাস্তবায়ন সরকারের একটি মানবকেন্দ্রিক উদ্যোগ। বাজারে পাইকারি ও খুচরা দামের অস্বাভাবিক ব্যবধান, রাস্তার সংস্কার বিলম্ব, স্বাস্থ্যসেবায় অতিমূল্য আদায়—এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রশাসন নিয়মিত কাজ করছে। তবে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; নাগরিকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে, যাতে অভিযোগ হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।”জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক (উপসচিব) মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, “ভোক্তা অধিকার রক্ষায় প্রশাসনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। মাঠপর্যায়ে অভিযোগের সংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু তদন্তকর্মী কম। তারপরও খুলনায় আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। ভেজাল, অতিমূল্য কিংবা প্রতারণা—যে অভিযোগই আসুক, তা উপেক্ষা করা হচ্ছে না। শাস্তিমূলক নয়, সচেতনতা বাড়ানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”সময়ের খবর পত্রিকার সম্পাদক তরিকুল ইসলাম আলোচনায় বলেন, “বাজার ব্যবস্থায় ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে গণমাধ্যম ও প্রশাসন একসঙ্গে কাজ করতে পারে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের পরও অনেক সময় কার্যকর ব্যবস্থা নেই। ডুমুরিয়া পাইকারি কাঁচা বাজারের একটি বাস্তব ছবি স্পষ্ট—যদি কোনো পণ্যের পাইকারি দাম ১০ টাকা হয়, সেটি শহরের খুচরা বাজারে এসে ৩০ টাকা হয়ে যায়। এই মধ্যবর্তী মূল্যবৃদ্ধিই বাজার ব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করছে। এখানে একটি নির্ধারিত ‘মধ্যবর্তী মূল্য তালিকা’ থাকা উচিত, যাতে পাইকারি বাজার থেকে সরাসরি নির্দিষ্ট মূল্যে পণ্য পৌঁছাতে পারে। এতে দরিদ্র ও গরীব মানুষ শান্তিতে খাবার কিনতে পারবে, ব্যবসায়ীরাও সুবিচার পাবে এবং বাজারে সঠিক মূল্যব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। আমি বিশ্বাস করি—যদি এমন একটি উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা যায়, তবে শুধু ভোক্তা নয়, গোটা সমাজই উপকৃত হবে। এটি শুধু আইন প্রয়োগ নয়, বরং ন্যায়ের বিজয়। ”সাংবাদিক নুরুজ্জামান বলেন, “ভোক্তা অধিকার আইন তখনই সফল হবে, যখন মানুষ নিজের অধিকার নিজে চিনবে। একজন ভোক্তা যদি প্রতারিত হয়ে চুপ থাকে, তবে পুরো সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রশাসন ও গণমাধ্যমের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিকেরও দায়িত্ব আছে—অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করার।”সেমিনারে খুলনা জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ খুলনার কন্ঠ, কেএন-৩৫৬
Theme Customized By Buzz it ltd.