1. admin@khulnarkantho.com : admin :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে হতদরিদ্র, দুস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাদ্য বিতরণ সাংবাদিক রাজুকে হেনস্তার অভিযোগ, পরীমণির আচরণের তীব্র নিন্দা ও বিচারের দাবি খুলনার শিল্পাঞ্চলের হারানো গৌরব ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর” বন্ধ মিল-কারখানা চালুর প্রতিশ্রুতি খুলনা থেকে নতুন কুঁড়ি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট আসছেন খুলনায় ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধনী প্রেস ব্রিফিংয়ে হুইপ রকিবুল ইসলাম খুলনার আদালত পাড়ায় আলোচিত দুই হত্যাকান্ডে চার্জশিট দাখিল এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ মানিকতলা খাদ্য গুদাম শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতিসহ তিনজন গ্রেপ্তার, প্রতিবাদে খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ মহানগর তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ূন কবিরের জানাজা শেষে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন নেতৃবৃন্দ

বয়রা নার্সিংহোম এর ডাক্তার স্বপ্নার ভুল চিকিৎসায় গর্ভবতী নারীর অবস্থা সংকটাপণ্ন

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ জুন, ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।।খুলনা নগরীর “বয়রা নার্সিংহোম এর ডাক্তার নাসরিন আখতার স্বপ্নার ভুল চিকিৎসায় গর্ভবতী এক নারী সংকটাপন্ন অবস্থায় দিন যাপন করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভিকটিমের পিতা মো: বেলাল হোসেন গণমাধ্যমে নিকট এ সব তথ্য জানান।তিনি বলেন আমার মেয়ে ফারজানা আক্তার মিমকে নিয়ে গত ২৯মে বয়রা নার্সিং হোম ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসার জন্য আসলে ডাক্তার স্বপ্না কয়েকটি টেস্ট করে পেটের ভিতর বেবী ডেথ হয়েছে বলে ডিএনসি অর্থাৎ এবাসন করতে বলেন।অন্যথায় রুগীকে বাঁচানো সম্ভব নয়।আমি ভয়ে রাজী হয়ে যাই।এরপর অপারেশন করে রিলিজ করে দিলে আমি আমার মেয়েকে নিয়ে আমার গ্রামের বাড়ি নড়াইলে চলে যাই।কিন্তু ২ দিন পর থেকে আমার মেয়ের পেটের ভিতর জ্বালা যন্ত্রণা এবং প্রচুর পরিমাণে রক্তক্ষরণ শুরু হলে ফের ডাক্তার স্বপ্নাকে জানালে তিনি মুঠোফোনে কয়েকটি ঔষধ লিখে দেন কিন্তু ঐ ঔষধে কোন কাজ না হলে আমি নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ফের আলট্রা স্নো গ্রাফ করলে দেখতে পান পেটের ভিতর ডেথ বেবির ওয়ান থাড রয়ে গেছে। এরপর রোগীকে বাঁচাতে ডাক্তারে পরামর্শে ফের ডিএনসি করাই।বর্তমানে আমার মেয়ে মিম নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছে। এ বিষয়ে বয়রা নার্সিংহোমের ডাক্তার নাসরিন আক্তার স্বপ্নার সহিত মেয়ের পিতা মো: বেলাল হোসেন মঙ্গলবার স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে দ্বিতীয়বার অপারেশনের বিষয় বস্তু নিয়ে আলোচনা করলে তিনি বলেন ডিএনসি করতে গেলে সম্পূর্ণ অনুমানের উপর ভিত্তি করে চিকিৎসা করতে হয়।সেক্ষেত্রে ডাক্তারদের কিছু করার থাকে না।পরে ডাক্তার নাসরিন আক্তার স্বপ্না বিষয়টি মূল্যায়ন করে রুগীর পিতা ক্ষতি পূরন দাবি করলে ক্ষতিপূরণ বাবদ পাঁচ হাজার টাকা প্রদান করেন।এ সময় উক্ত ক্লিনিকের স্টাফ এবং গণমাধ্যম কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ খুলনার কন্ঠ, কেএন-৩৫৬
Theme Customized By Buzz it ltd.