1. admin@khulnarkantho.com : admin :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে হতদরিদ্র, দুস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাদ্য বিতরণ সাংবাদিক রাজুকে হেনস্তার অভিযোগ, পরীমণির আচরণের তীব্র নিন্দা ও বিচারের দাবি খুলনার শিল্পাঞ্চলের হারানো গৌরব ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর” বন্ধ মিল-কারখানা চালুর প্রতিশ্রুতি খুলনা থেকে নতুন কুঁড়ি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট আসছেন খুলনায় ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধনী প্রেস ব্রিফিংয়ে হুইপ রকিবুল ইসলাম খুলনার আদালত পাড়ায় আলোচিত দুই হত্যাকান্ডে চার্জশিট দাখিল এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ মানিকতলা খাদ্য গুদাম শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতিসহ তিনজন গ্রেপ্তার, প্রতিবাদে খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ মহানগর তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ূন কবিরের জানাজা শেষে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন নেতৃবৃন্দ

টানা বৃষ্টিতে ডুবলো খুলনা, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫

 

 কন্ঠ প্রতিবেদন।। আষাঢ়ের টানা বৃষ্টিতে ডুবলো খুলনা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টির পানিতে নগরীর অধিকাংশ সড়ক, নিম্নাঞ্চলের অলিগলি ও ঘর-বাড়িতে পানি উঠেছে। অধিকাংশ বাড়ি ও দোকানপাটের নিচতলা এখন পানির নিচে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে নগরবাসী। সোমবার(১৬ জুন) সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খুলনাতে ৫৩ মিলিমিটার এবং মঙ্গলবার (১৭ জুন) ৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। খুলনায় মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বুধবার (১৮ জুন) সকাল থেকেও হালকা বৃষ্টিপাত অব্যহত রয়েছে।খুলনা আবহাওয়া অফিস থেকে আবহাওয়াবিদ মো. মিজানুর রহমান বলেন, সোমবার দুপুর ১২টা থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খুলনায় ৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটা এ বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টি। যা আরো দুই একদিন অব্যহত থাকতে পারে।এদিকে নগরবাসীর অভিযোগ, নগরীর সড়ক, ড্রেনেজ ও সুয়ারেজসহ উন্নয়ন কাজের ধীরগতির ফলে তারা জিম্মি হয়ে পড়েছে। ফলে অল্প বৃষ্টি হলেই অনেক এলাকা তলিয়ে যায়।টানা বৃষ্টিতে নগরীর অধিকাংশ রাস্তাঘাটের ড্রেন উপচে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে রয়্যাল মোড়, দোলখোলা মোড়, বাইতিপাড়া মোড়, খানজাহান আলী সড়ক, শামসুর রহমান রোড, আহসান আহমেদ রোড, বাস্তুহারা, চানমারী, লবণচরা, টুটপাড়া, মিস্ত্রিপাড়া, ইকবালনগর, বাগমারা, বানিয়খামার, মিস্ত্রিপাড়া, নতুন বাজার, সোনাডাঙ্গা আবাসিকসহ বেশ কিছু নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ বিশেষ করে কর্মজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। এছাড়া, নগরীর সোনাডাঙ্গা, খালিশপুর, দৌলতপুর, খানজাহান আলী,  আড়ংঘাটা ও ফুলবাড়ি গেট খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাও প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।বানিয়াখামার এলাকার নূরুল হুদা বলেন, “সিটি করপোরেশন হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে সড়ক উঁচু ও ড্রেন তৈরি করছে। কিন্তু সামান্য বৃষ্টিতে সব তলিয়ে যাচ্ছে। কোন কাজ শুরু হলে আর শেষ হয় না। ড্রেনগুলো বন্ধ হয়ে আছে। তাই বৃষ্টির পানি বাড়িঘরে প্রবেশ করছে। এতে নগরবাসীর চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।”দোলখোলার বাসিন্দা আব্দুল্লাহ বলেন, “ওয়াসা দিনের পর দিন স্যুয়ারেজ লাইন বসাচ্ছে। ৩-৪ মাস ধরে কাজ চলছে তো চলছেই। রাস্তাঘাট বেহাল অবস্থা। স্বাভাবিক সময়ে হাঁটার অবস্থা নেই। বৃষ্টিতে আরো খারাপ অবস্থা।”খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার জানান, রাস্তা উঁচু, ড্রেন নির্মাণ ও স্যুয়ারেজ কাজে খুলনায় হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে। কিন্তু নাগরিকরা কোনো সুফল পাচ্ছে না। বৃষ্টি হলেই পানি জমে যাচ্ছে। মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। কোনো কাজ শুরু হলে আর শেষ হতে চায় না। নগরবাসী এ অবস্থা থেকে বাঁচতে চান।খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা আনিুসুর রহমান জানান, করপোরেশন জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করছে। উন্নয়ন কাজগুলো শেষ হলে নগরবাসী সুফল পাবেন বলে আশা করছি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ খুলনার কন্ঠ, কেএন-৩৫৬
Theme Customized By Buzz it ltd.