1. admin@khulnarkantho.com : admin :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে হতদরিদ্র, দুস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাদ্য বিতরণ সাংবাদিক রাজুকে হেনস্তার অভিযোগ, পরীমণির আচরণের তীব্র নিন্দা ও বিচারের দাবি খুলনার শিল্পাঞ্চলের হারানো গৌরব ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর” বন্ধ মিল-কারখানা চালুর প্রতিশ্রুতি খুলনা থেকে নতুন কুঁড়ি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট আসছেন খুলনায় ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধনী প্রেস ব্রিফিংয়ে হুইপ রকিবুল ইসলাম খুলনার আদালত পাড়ায় আলোচিত দুই হত্যাকান্ডে চার্জশিট দাখিল এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ মানিকতলা খাদ্য গুদাম শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতিসহ তিনজন গ্রেপ্তার, প্রতিবাদে খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ মহানগর তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ূন কবিরের জানাজা শেষে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন নেতৃবৃন্দ

খুলনায় ইসলামী ফাউন্ডেশন অর্থায়িত মাদ্রাসায় অনিয়মের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

 

কন্ঠ প্রতিনিধি।।খুলনার আইচগাতী বেলফুলিয়া এলাকায় অবস্থিত আবু বক্কর সিদ্দিক (রা.) দারুল আরকাম ইফতেদায়ী মাদ্রাসায় নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।ইসলামী ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে পরিচালিত এই এবতেদায়ী মাদ্রাসায় প্রথম শ্রেনী থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পাঠদানের কথা থাকলেও তা যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা।অভিযোগ অনুযায়ী, মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক নিজেকে প্রিন্সিপাল পরিচয়দানকারী হাফেজ মাওলানা মেজবাহ উদ্দিন আর্থিক দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মে সরাসরি জড়িত। সরকারি বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে নানা ধরনের অসঙ্গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে দাবি অভিভাবক মহলের।তারা অভিযোগ করে বলেন তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত ভর্তি ফি সহ পড়ালেখার খরচ ইসলামী ফাউন্ডেশন বহন করলেও কেন আমাদেরকে ভর্তি ফি এবং মাসিক বেতন দিতে হবে?এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাদ্রাসার সকল সিদ্ধান্ত কমিটির সভাপতি ও পরিচালকের অনুমতিক্রমেই নেওয়া হয়। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, বিগত ১৪ মাস ধরে ইসলামী ফাউন্ডেশন থেকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ বন্ধ রয়েছে।এদিকে অভিযোগ উঠেছে, আরাফাত নামের একজন শিক্ষক নিয়মিত প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকলেও উপস্থিতি খাতায় তাকে নিয়মিত উপস্থিত দেখানো হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।অভিভাবকরা আরো জানান, ৩৭৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে চলমান একটি ধর্মীয় ও এলেমীদান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ইসলামী ফাউন্ডেশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় অভিভাবক মহল।এখন দেখার বিষয়, অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর কী পদক্ষেপ নেয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ খুলনার কন্ঠ, কেএন-৩৫৬
Theme Customized By Buzz it ltd.