কন্ঠ প্রতিবেদন।। নগরীতে সন্ত্রাসী কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য সাহেলকে গ্রেফতার করেছে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ।গতকাল (বৃহস্পতিবার) দুপুরে নগরীর গল্লামারী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।গ্রেফতারকৃত আসামী সাহেল সোনাডাঙ্গা গল্লামারী রোডস্থ এমএ বারি সড়ক এলাকার আক্তারুজ্জামান বাবুলের ছেলে।সাহেল এলাকার চিহ্নিত মাদকসেবী ও মাদকব্যবসায়ী,চিহ্নিত ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ, চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এবং একাধিক মামলার চিহ্নিত আসামী বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।এ বিষয়ে সোনাডাঙ্গা থানার এস আই মোস্তফা বলেন, সাহেলকে গল্লামারী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন গেফতারকৃত আসামী সাহেল বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন খুলনা মহানগরের যুগ্ম আহবায়ক সাজিদকে গুলি করে হত্যা চেষ্টা মামলা, আরামবাগ মিজানকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা এবং ট্রাক স্ট্যাান্ডে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ রয়েছে।এ দিকে, বাইপাসে সিটি হোটেলে ম্যানেজারকে চাঁদার দাবিতে তাকে কুপিয়ে আহত করে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে সোহেলের বিরুদ্ধে। সাহেলের বিরুদ্ধে সেনাবিহিনির কাছে দেওয়া বিভিন্ন অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সোনাডাঙ্গা পশ্চিম পাড়া আল-আমিন মহল্লার ৩নং গলির আঃ রশিদের ছেলে মোঃ ইমরানের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইমরানের একটি থ্রি স্টার নামে রিক্সা গ্যারেজ আছে যেটি তার পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস।সাহেল প্রায়ই সন্ধ্যা রাতে আমার গ্যারেজে ঢুকে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে চাঁদা নিয়ে যায়।টাকা নেওয়ার সময় সাহেল বলে এই সব কাউকে বল্লে তোকে জানে মেরে ফেলব। তার ভয়ে এলাকার কেউই প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। হত ৫ই আগস্ট এর পরে তার নির্যাতন আরো বেশি শুরু হয়েছে। ভয়ে সাধারন ব্যবসায়ীরা মুখ খুলতে পারছে না।এদিকে, আল-আমিন মহল্লার মোঃ ইলিয়াস নামে আরও একজনের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাহেল ইলিয়াসের এ্যাপাসি মটোরবাইকে কোপ দিয়ে ভেঙে ফেলার ভয় দিয়ে তাকে এক প্রকার জিম্মী করে ১০ হাজার টাকা নিয়েছে। আল আমীন মহল্লার রিক্সা গ্যারেজ মালিক মনিরুলের কাছ থেকে নিয়েছে ২৪ হাজার টাকা।এরকম একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে এই সোহেলের বিরুদ্ধে।