নিজস্ব প্রতিবেদক।।জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার অঙ্গীকার শুধু বক্তব্যে নয়, বাস্তব কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়েই বারবার প্রমাণ করে চলেছেন ৩নং গঙ্গারামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আসলাম হালদার। দিন কিংবা রাত—ইউনিয়নের মানুষের যেকোনো প্রয়োজনে দ্রুত ছুটে যাওয়া এবং সংকটময় মুহূর্তে পাশে দাঁড়ানো যেন তাঁর নিয়মিত জনসেবারই অংশ।
সম্প্রতি ইউনিয়নের এক বাসিন্দার আকস্মিক মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পরও রাতের আঁধারকে উপেক্ষা করে শোকাহত পরিবারের কাছে ছুটে যান চেয়ারম্যান মোঃ আসলাম হালদার। আকস্মিক এই মৃত্যুতে পরিবারটির ওপর নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া। এমন কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি শুধু সমবেদনা জানাননি, বরং শেষকৃত্য অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রাখেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত পরিচয় তাঁর পদ বা ক্ষমতায় নয়; বরং সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে তিনি কতটা পাশে দাঁড়ান, সেটিই তাঁর জনসেবার প্রকৃত মাপকাঠি। আর সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই চেয়ারম্যান মোঃ আসলাম হালদারের এমন মানবিক উপস্থিতি ও দ্রুত পদক্ষেপ এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
এলাকাবাসীর মতে, পদ-পদবির অহংকারকে দূরে রেখে সাধারণ মানুষের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করার মানসিকতাই মোঃ আসলাম হালদারকে একজন সত্যিকারের ‘জনতার চেয়ারম্যান’ হিসেবে গড়ে তুলেছে। মানুষের দুঃসময়ে রাতের আঁধারেও পাশে দাঁড়ানোর এই মানসিকতা তাঁর জনবান্ধব নেতৃত্বেরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন স্থানীয় সাধারণ জনগণ।
জনসেবায় এমন মানবিক ও তাৎক্ষণিক ভূমিকা সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনপ্রতিনিধির সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। আর সেই সম্পর্কের জায়গা থেকেই ৩নং গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের মানুষের কাছে চেয়ারম্যান মোঃ আসলাম হালদারের পরিচিতি হয়ে উঠছে—সুখে-দুঃখে পাশে থাকা একজন জনবান্ধব জনপ্রতিনিধি হিসেবে।