স্টাফ রিপোর্টার।।খুলনার রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. সজিব মোল্লা।তিনি ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপির ৩ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য।দলীয় সূত্র ও স্থানীয়রা জানান, ছাত্রজীবন থেকে ছাত্রদল, পরে যুবদল হয়ে বিএনপির মূল সংগঠনে যুক্ত হন সজিব মোল্লা। দলের দুঃসময়ে মামলা হামলার শিকার হয়েও তিনি মাঠে সক্রিয় ছিলেন। বর্তমানে ইউনিয়ন কমিটির পুনর্গঠন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সাংগঠনিক তৎপরতায় যুক্ত আছেন।ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতা বলেন, সজিব মোল্লা মাঠের নেতা। তৃণমূলের সঙ্গে তার যোগাযোগ ভালো। দলের দুঃসময়ে তিনি কর্মীদের পাশে থেকেছেন।২০১৬ সালে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। পাঁচ বছর দায়িত্ব পালনকালে ঘাটভোগ-বাগমারা সড়কের একাংশ সংস্কার, শিয়ালী খালের ওপর কাঠের সেতু নির্মাণ ও ওয়ার্ডে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করেন।৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবদুল হামিদ বলেন, সজিব ভাই মেম্বার থাকতে সরকারি বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার হয়েছে। বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতার কার্ড করতে তিনি নিজে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিয়েছেন।তবে প্রতিপক্ষের অভিযোগ, দলীয় পরিচয়ের কারণে তিনি সব মহলে সমান গ্রহণযোগ্য নন। এ বিষয়ে সজিব মোল্লা বলেন, আমি মেম্বার ছিলাম সব মানুষের। দলমত দেখে কাজ করিনি। চেয়ারম্যান হলেও সবার জন্য কাজ করব।নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, দল মনোনয়ন দিলে এবং জনগণ পাশে থাকলে নির্বাচন করব। পদ নয়, মানুষের সেবা করাই মূল লক্ষ্য। নির্বাচিত হলে সড়ক সংস্কার, জলাবদ্ধতা নিরসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ, মাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কাজ করবেন।তিনি আরও বলেন, ঘাটভোগ কৃষিপ্রধান এলাকা। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সমবায় গড়ে তোলা এবং নদীভাঙন কবলিত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে কাজ করবেন।শিয়ালী বাজারের ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম বলেন, সজিব মোল্লা এলাকার ছেলে। বিপদে আপদে তাকে পাওয়া যায়। তিনি চেয়ারম্যান হলে উন্নয়ন হবে।রূপসা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির শেখ বলেন, তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। যিনি জনপ্রিয় ও ক্লিন ইমেজের অধিকারী, তাকেই সমর্থন দেওয়া হবে। সজিব মোল্লা আমাদের পরীক্ষিত নেতা।উল্লেখ্য, আগামী জুন মাসে ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা রয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতিমধ্যে গণসংযোগ শুরু করেছেন।